ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ

১১২

​ইসলামাবাদ: দীর্ঘ ও নিবিড় আলোচনার পর অবশেষে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ আজ সোমবার এই ঘোষণা দিয়েছেন। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
​প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই চুক্তির মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে:
​স্থায়ী যুদ্ধবিরতি: চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—উভয় পক্ষই লেবাননসহ সকল ফ্রন্টে তাদের সমস্ত সামরিক অভিযান অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে।
​আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান: আগামী ১৯শে জুন সুইজারল্যান্ডে এই ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
​মধ্যস্থতাকারীদের অবদান: এই জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনে এবং মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় অনন্য অবদানের জন্য তুরস্ক, কাতার এবং সৌদি আরবকে বিশেষভাবে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে।
​চূড়ান্ত প্রস্তুতিমূলক বৈঠক: চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের আগে কারিগরি আলোচনা ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে মধ্যস্থতাকারীরা চলতি সপ্তাহেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করবেন।
​রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই চুক্তি বিশ্ব রাজনীতি এবং বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি বড় ধরণের মাইলফলक হিসেবে গণ্য হতে যাচ্ছে।

ট্যাগঃ
পোস্ট কারীর ইনফরমেশন

Daily Bay Of Bengal

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা চুক্তিকে ইরান ইতিবাচক হিসাবে দেখছে

LIVE TV

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ

প্রাকাশিত হয়েছেঃ ০৫:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
১১২

​ইসলামাবাদ: দীর্ঘ ও নিবিড় আলোচনার পর অবশেষে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ আজ সোমবার এই ঘোষণা দিয়েছেন। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
​প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই চুক্তির মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে:
​স্থায়ী যুদ্ধবিরতি: চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—উভয় পক্ষই লেবাননসহ সকল ফ্রন্টে তাদের সমস্ত সামরিক অভিযান অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে।
​আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান: আগামী ১৯শে জুন সুইজারল্যান্ডে এই ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
​মধ্যস্থতাকারীদের অবদান: এই জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনে এবং মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় অনন্য অবদানের জন্য তুরস্ক, কাতার এবং সৌদি আরবকে বিশেষভাবে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে।
​চূড়ান্ত প্রস্তুতিমূলক বৈঠক: চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের আগে কারিগরি আলোচনা ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে মধ্যস্থতাকারীরা চলতি সপ্তাহেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করবেন।
​রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই চুক্তি বিশ্ব রাজনীতি এবং বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি বড় ধরণের মাইলফলक হিসেবে গণ্য হতে যাচ্ছে।